বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা

বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা[Download] ➼ বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা ➾ Muhammed Zafar Iqbal – Oaklandjobs.co.uk ফ্ল্যাপে লিখা কথাএকজন মানুষ যার বয়ষ প্রায় আমার বয়সের কাছাকাছি তাকে হঠাৎ ফ্ল্যাপে লিখা কথাএকজন মানুষ যার বয়ষ প্রায় আমার বয়সের কাছাকাছি তাকে হঠাৎ করে একটা নতুন নাম দিয়ে দেয়াটা এত সোজা না। হেজিপেজি মানুষ হলেও একটা কথা ছিল কিন্তু অনিক লুম্বা মোটেও হেজিপেজি মানুষ নয় সে রীতিমতো একজন বিজ্ঞানী মানুষ তাই কথা নেই বার্তা নেই সে কেন আমার দেয়া বিজ্ঞানী অনিক Epub / নাম দিয়ে ঘোরাঘুরি করবে কিন্তু সে তাই করেছে আমি নিজের চোখে দেখেছি কেউ যদি তাকে জিজ্ঞেস করে “ভাই আপনার নাম” সে তখন সরল মুখ করে বলে ”অনিক লুম্বা।” মানুষজন যখন তাকায় তখন সে একটু গরম হয়ে বলে “এত অবাক হচ্ছেন কেন একজন মানুষের নাম কি অনিক লুম্বা হতে পারে না”. সাধারণত কিংবদন্তীসম লেখকদের লেখার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকে গভীর অর্থ| তাঁদের চরিত্রদের হাতে পায়ে গোপন অঙ্গে ছড়ান ছেটান থাকে রহস্যময় স্রষ্টা আর সমাজ রাজনীতি ইতিহাসের এমন সব নিশানা যা দেখে এই বইয়ের কথকের ঘাড়ে ব্যথা হওয়ার পর সে যেমন সব প্রশ্নেরই মাত্র এক রকম উত্তর দিতে পারছিল আমাদের মত গোদা পাঠকও ঠিক তেমন করেই বলে ওঠে “আউক”| কিন্তু আলোচ্য বইটি এইজন্যেই স্পেশাল যে সেটি এক কিংবদন্তীসম লেখকের লেখা হলেও তার কোন রিভিউ করা সম্ভব নয়| নামে বইটি ‘বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি’ কিন্তু বাস্তবে এতে ঠিক কী আছে? এতে যে লেখাগুলো আছে সেগুলো হল• বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা• মশা• ইঁদুর• কবি কিংকর চৌধুরী• জলকন্যাএই গল্পগুলোর মাধ্যমে আমরা পরিচিত হই কিছু অদ্বিতীয় চরিত্রের এবং তাদের বিভিন্ন এডভেঞ্চারের ব্যাড ভেঞ্চার ও বলা যায় সঙ্গে| এতে অনেক হাসির উপাদান আছে এবং গল্পগুলো পড়ার সময়ে তার পরেও যেমন এইসব লিখতে গিয়ে আমি প্রচুর হেসেছি| ধ্রুব এষ র করা অলংকরণের সঙ্গে অহিভূষণ মালিকের সাদৃশ্য আছে বলেই হয়ত লেখাগুলো পড়তে গিয়ে প্রথমবার তারাপদ রায়ের “কান্ডজ্ঞান” পড়ার স্মৃতি ফিরে আসছিল| কিন্তু এই গল্পগুলো একেবারে আলাদা কারণ অদ্ভূত কিম্ভূত ঘটনাবলির মাধ্যমে এই বই এ লেখক আমাদের যে আসল কথাটা বলতে চান সেটা লুকিয়ে আছে বইয়ের একেবারে শেষ লাইনে|বইটি পড়ার সুযোগ পেয়েছি বলে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি| আপনার নাম কি? অনেক লম্বা অনিক লুম্বা?হা হা অনেক মজা পেয়েছিলাম বইটা পড়ে আমার নাম অনেক লম্বা অসাধারণ একটি বই। খুব ছোটবেলায় পড়েছিলাম। কাহিনী একেবারেই ভুলে গেছি। তাই আবার পড়তে শুরু করলাম এবং বুঝলাম যে কাহিনী একেবারেই ভুলে গেছি p আমার বাচ্চাদের আমি এই বইটা পড়ে শুনাব বলে ঠিক করেছি। সাথে সাথে এও ঠিক করলাম যে তাদের জন্মের পর পরই তাদের সাঁতার শিখাব ইনশাআল্লাহ্‌। যদিও আমি নিজে সাঁতার জানিনা আমার বিয়েও হয় নাই বাচ্চা তো দুরের কথা ' তারপরেও বইটা জোস D আমি ২০০৯ সালে সিলেটে প্রথনবারের মত এই বইটা পড়িপ্রেম নগর চা বাগানে বেড়াতে গিয়ে অর্ক ভাইয়ের সাথে পরিচয় হয়উনার কাছে অনেক অনেক অনেক গুলো বই সেখানেই আমি প্রথম এই বইটা পড়ি। দারুন একটা বই একেবারে পিউর এন্টারটেইনমেন্ট সবেচেয়ে ভাল লেগেছে কবি কিংকর সাহেবের অংশটা বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা বইটার লেখক মুহাম্মাদ জাফর ইকবাল । জাফর ইকবালের লেখা পড়া বাদ দিয়েছি অনেক আগেই । তার এখনকার লেখা আমাকে কেবল হতাশ করে । তবে এই বইটার প্রকাশ কাল অনেক আগে তাই কন্যার রিকোমেন্ডেশনে বইটা পড়া শুরু করলাম । পড়ার পর মনে হল আরে এই বইটা তো আমি আগেই এক সময় পড়েছি । আচ্ছা আরেকবার পড়া যাক বইটা মূলত পাঁচটা গল্পের একটা সংকলন । প্রথম গল্পটার নাম বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা । মূলত এই গল্পে অনিক লুম্বা নামটা কিভাবে আসলো সেটার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে । একটা বিজ্ঞানী সম্মেলনে লেখক যায় ভলান্টিয়ারের কাজের জন্য । একজন একজন বিজ্ঞানী আসছে তাদের নাম লিখে নেমপ্লেট দিয়ে দিচ্ছে সে । এমন সময় একজন এল । তার কাছে জানতে চাওয়া হল আপনার নাম কি? সে বলল আমার নাম অনেক লম্বা । লেখক শুনলা অনিক লুম্বা । এখান থেকে অনিক লুম্বা নামের প্রচলন । দ্বিতীয় গল্পের না মশা । এই গল্পে অনিক লুম্বা মশা নিয়ে গবেষণা করে । এমন একটা ব্যাপার আবিস্কার করার চেষ্টা করে যেখানে মশা আর মানুষের রক্ত খাবে না । অন্য কিছু খাবে । এক সময় তার এই আবিস্কার ছিনতাই হয়ে যায় । কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছিনতাইকারী এই গবেষণা হজম করতে পারে ? সেটা দেখা যাবে গল্পের শেষে । তাররের গল্পের নাম ইদুর । এই গল্পে দুই মাস্তার এক বৃদ্ধার বাড়ি দখলের পায়তাড়া করে । বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা তার আবিস্কার দিয়ে তাদেরকে শায়েস্তা করে । কবি কিংকর চৌধুরী গল্পে এক কবি গিয়ে হাজির হয় লেখকের বোনের বাসায় । ভাগ্নে ভাগ্নীর জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে এই কবির কারণে । লুম্বার একটা ঔষধ খাওয়ার কারনে কবির অবস্থা খারাপ হয়ে যায় । জলকন্যা গল্পে কেউ মাত্র কয়েকদিন বয়সের একটা বাচ্চা রেখে যায় লুম্বার বাসায় । তারপর এক সময় তারা আবিস্কার করে বাচ্চা পানির ভেতরে চমৎকার ভাবে সাতার কাটছে । পানির ভেতরে দারুন ভাবে শ্বাস নিচ্ছে । গল্প গুলো পড়তে আমার মজাই লেখেছে । হালকা মেজাজে পড়ার মত গল্প । সময় থাকলে পড়ে দেখতেই পারেন । প্রথমেই অনিক লুম্বা নামকরণ টা বেশ মজার। গল্পে জাফর ইকবাল নিজেকে অনেক অকাজের একজন বেকার যুবক হিসেবে চিত্রায়ণ করেছেন। যিনি খাওয়া দাওয়া আর ঘুম ছাড়া কিছু বুজেন না। এবং অনিক লুম্বা একজন বিজ্ঞানীী যার নামটা আসলে এরকম তিনিই করে দিয়েছেন একটি মজার ভুলের মাধ্যমে। এটা মূলত একজন বিজ্ঞানীর খামখেয়ালি এবং মজার কিছু গবেষণা নিয়ে যেখানে জাফর ইকবাল নিজেকে বিজ্ঞানী অনিক এর বন্ধু হিসেবে বর্ননা করেন। আমার আসলে অনেক মজা লেগেছে বইটা। সফদর আলী অনিক লুম্বা এরা সত্যি মজার কিছু ক্যারেক্টার। এবং জাফর ইকবাল এর বলার ভংগী মনে হচ্ছে যেন তিনি সত্যি সত্যি ১২১৩ বছর বয়সী কোনো বালক বালিকার সাথে গল্প করছেন তার কোনো এক খামখেয়ালি এবং মজার বিজ্ঞানীী বন্ধু কে নিয়ে। সেই যখন কৈশোরে উনার সায়রা সায়েন্টিস্ট এখন তখন মানিক রতন এই বইগুলো পড়েছিলাম তখনই এই মজাদার মানুষগুলোকে পছন্দ হয়ে যায়। অনিক লুম্বা এর মশা ইঁদুর কবি কিংকর চৌধুরী জলকন্যা সবগুলো গল্প ই অসাধারণ। এক বসায় পড়ে ফেলার মতো। Zafar sir has a uniue set of stories If I could I would totally recommend these books to foreign sci fi lovers Even if it meant for me translate the whole book for them to be able to read I would do it in a heartbeat এখানকার একটা গল্প নিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের এক সাবেক নায়িকা নাটক তৈরি করেছিলেন।‌ চ্যানেল আইতে প্রচারিত হয়েছিল–ঈদের সময়। রাত জেগে দেখেছিলাম–ঘন ঘন বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে প্রকুপিত হইয়াছিলাম। ইউটিউব আসিবার পূর্বে তাহারা যাহা ব্যবসায় করিবার তাহা করিয়া লইয়াছে বোধ করি। khub mojar