ওই মণিময় তার কাহিনী

ওই মণিময় তার কাহিনী➞ ওই মণিময় তার কাহিনী free download ➣ Author Rabisankar Bal – Oaklandjobs.co.uk Kaler Kantho ওই কিশোরী তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে ওই ওই কিশোরী তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে ও Kaler Kantho ওই কিশোরী তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে ওই ওই কিশোরী তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে ওই হোটেলের বারে যান। একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে সেই সুযোগে তাকে ধর্ষণ করা হয় PDF Download ওই মণিময় তার কাহিনী | by Popular E Book ওই মণিময় তার কাহিনী By Rabisankar Bal This is very good and ওই মণিময় PDF or becomes the main topic to read the readers are very takjup and always take inspiration from the contents of the book ওই মণিময় তার কাহিনী essay by Rabisankar Bal Rtv । আরটিভি ওই ছাত্রী তার অভিযোগে ওই ছাত্রী তার অভিযোগে উল্লেখ করেন Rtv । আরটিভি Today at AM রিয়ার বাড়িতে তল্লাসি চালানোর পর বাজেয়াপ্ত করা হয় Rtv । আরটিভি Today Unlimited Thriller Book ☆ ওই মণিময় তার Amazing Book ওই মণিময় তার কাহিনী By Rabisankar Bal This is very good and becomes the main topic to read the readers are very takjup and always take inspiration from the contents of the book ওই মণিময় তার কাহিনী essay by Rabisankar Bal ১ বন্দীর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন ৫ এদিকে ওই নারীর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন কারারক্ষী মামুন হোসেন। তিনি দাবি করেন ওই নারীর সঙ্গে তার কোনো অনৈতিক সম্পর্ক নেই মায়ের হাতে পাঁচ সন্তান খুন | বিশ্ব | DW | জার্মানির জলিঙ্গেন শহরে ২৭ বছর বয়সি এক মা তার পাঁচ সন্তানকে উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বলেন মামলা করার পর আসামি ও তার সহযোগীরা আমাকে এসিড মারাসহ পুরো পরিবারকে হত্যার পরে লাশ গুম করার পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে সালিশি সভার মধ্যে রক্তাক্ত ওই যুবককে উদ্ধার করেন গ্রামবাসীরা। চিকিৎসার জন্য তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখান ওই যুবকের শারীর কী ঘটেছিল ওই মসজিদে – Dainik Amader Shomoy ওই মসজিদে কেন কীভাবে ছয়টি এসির বিস্ফোরণ ঘটল সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট করে কেউ কিছু বলতে পারেননি। তবে মসজিদে গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে ব� মাছি তাড়ানোর শাস্তি – Dainik Amader Shomoy ঘর থেকে মাছি তাড়াতে গিয়ে চরম শাস্তি পেতে হলো ফ্রান্সের বিরাশি বছর বয়সী এক নাগরিককে। মাছি তাড়াতে গিয়ে নিজের ঘরটাই পুড়িয়ে ফেলেছেন এই বৃদ্ধ. ওই মণিময় তার কাহিনীরবিশংকর বলগুরুচণ্ডালী প্রকাশনাকলকাতা২০১৬ওই মণিময় আসলে কোন মণিময় সেটা বুঝতে পারা কঠিন নয়। বিশ্বভুবনের অখণ্ড প্রবাহের শ্বাসাঘাতের সামনে আঙুল ধরলে যে তাপ প্রাকৃতিক নিয়মেই তৈরি হয় তারই কিছুটা ওই মণিময় আর যে প্রাকৃতিক নিয়মে সেই তাপ ফের মিশে যায় অনন্ত সূর্য আর বুড়ো থুত্থুড়ে সমুদ্দুরের নোনা রক্তের সাথে সেটাই হলো তার কাহিনী।কিনারা আর কেন্দ্রের কাহিনী একাছে আসা আর সরে যাওয়ার কাহিনী এ মৃতের স্থিরতা আর জীবিতের প্রতিফলনের কাহিনী এ। এ কাহিনী হতে পারে সবার। আবার এ কাহিনী হতে পারে মহাশূণ্যের নিবিড় নিঝুম একাকিত্বের।মণিময়ের শিল্প ভাস্কর্য নির্মাণ আর অস্তিবাদের ভরকেন্দ্র যখন পেছতে পেছতে খাদের ধারে গিয়ে দাঁড়ায় তখন তার কানে আসে সমগ্র মানবস্বরের আবর্ত।জীবনানন্দের মাল্যবান উৎপলাদের কেন্দ্র করে এক শান্ত সব মেনে নেওয়া কবিস্বর মণিময়ের স্বপনে জাগরণে তাকে শরীরচ্যুত করে ফেলে।মণিময় একদম ভিখারি হয়ে পেয়ে যায় জগত সংসারের তাবৎ ধনদৌলত। কামুর স্ট্রেঞ্জার কিম্বা নিৎসের অভিঘাতে ভর করে সে উড়তে চায় মাঝেমাঝে কিন্তু ডানা খোলার আগেই সমস্ত পালক খসে পড়ে। কেন্দ্র থেকে সে দূরে সরে যেতে পারেনা। বৃত্তের চক্রান্তে এক বিকট দেহহীন বিন্দুতে পরিণত হয় মণিময়। দেহহীন সত্ত্বা তার আত্মস্থল নিংড়ে জীবনের কিনারে নিয়ে চলে এক রহস্যময় সিঁড়ি দিয়ে। সে কিনার মৃত্যুরও।স্বপ্নভঙ্গের পরে স্থিরমতি হতে চায় মণিময় মাল্যবানের মতই। ব্যাখালোকের হাতছানি তীব্রভাবে সরিয়ে দিয়ে মণিময় অসীম নিরন্তরতার গালে মুখে শরীরে হাত স্পর্শ করতে করতে এগিয়ে চলে। রেজিমেন্টেশনের বিরুদ্ধে মুখ ফিরিয়ে। প্রগতির ছদ্মবেশের কিংখাব উপড়ে দিতে চায় মণিময়। কে বোঝে তাকে? কে বুঝবে মণিময়কে?প্রাচীন বাস্তবের হাত ধরে আসে সাত দিনের পুত্র সন্তানের শবদেহের বস্তুপুঞ্জ। পার্ক সার্কাসের হিন্দু গোরস্তানে একেই দাফন করে মণিময় বসুমতীর কাছে একটু জমি চেয়েছিলো। ম্যাকবেথের তিন ডাইনির মতন। তিনবার। মণিময় আর সুতপার জীবনে সেই ২২ ফেব্রুয়ারি এসে যায়আসতে থাকে গোরের ওপরে জ্বলতে থাকা রুগ্ন মোমবাতিদের আলোর মতন।মণিময়ের শরীর মনে প্রাচীন নিষিদ্ধ যৌনতার স্মৃতি খেলে যায় সন্তানস্পৃহার সচেতনতার অন্তরালপথ বেয়ে । সুতপার মনে অহৈতুকি এক অপরাধবোধ চারিয়ে যায় সন্তানহীনা এক শরীরের সৌন্দর্যময়তার হাতুড়ি ঘায়ে।অসম্পূর্ণ অবচেতনের প্রকোপে মণিময়ের জীবন ধীরে ধীরে নিখাদ রূপকলোকে পরিণত হতে থাকে। মণিময় নিস্তার পেতে কিনারের দিকে সরে সরে যায়।বিস্মৃতির কাছে নতজানু হয় মণিময়। অসীম দ্যাখা দিয়ে যায় সাপের রূপকে। নিজেই নিজের ল্যাজ গিলে চলা এক অনন্ত সময়ের দুর্বিষহ দহে মণিময় ঘুরেই চলে।পরতে পরতে চলে যায় জীবনযৌবনঅস্তিত্বমনোলোকের শান্তি এমনকি অশান্তির অনুভূতিও।কালের ঘূর্ণন দশ বছর পরে মণিময়কে এই বিশেষ যাত্রার মধ্যে নিয়ে আসে সৈকত শহর পুরীতে। সুতপা আজ তিস্তা আর উদ্দালকের জননী। হঠাৎই মণিময়ের মনে পরে আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি।বেলাভূমে তিন বছরের উদ্দালক আর ছয় বছরের তিস্তা তখন বালি খুঁড়ে খুঁড়ে ঘর বানায়ভাঙে; সুতপা তন্ত্রের রহস্যময় প্রতীকের মতন চিহ্ন গড়ে তোলে বালির ওপরে আঙুল দিয়ে দিয়ে। সুতপার ২২ ফেব্রুয়ারি ভুলে যাওয়ার দুখ মণিময়কে স্নায়ুকোষ মরে যাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়।বেদনার পেষণে বাস্তব অতিক্রান্ত এক মুহূর্তে সুতপা আর মণিময় য্যানো তরঙ্গে নাচতে দেখে এক কৃষ্ণবালককে। গভীরতর বেদনা ভুলে যাওয়ার বেদনা হা হা করে সামুদ্রিক বাতাসে মিশে যায়।খুঁড়ে চলা বালি উড়তে উড়তে পার্কসার্কাসের গোরের ঝুড়ো মাটির স্মৃতি হয়ে দানা বাঁধে। ঝিকিমিকি সমুদ্রের আলো কিছু রোগা উলঙ্গ অসহায় নিভন্ত মোমবাতির কথা মনে করিয়ে দেয়।জীবনানন্দের সেই সময়হীনতা আর সমকালীনতার দর্শনমাখা এক অসামান্য উপন্যাস ওই মণিময় তার কাহিনী। বস্তুত মাল্যবান নিজেও তো এই বেদনাবাস্তবতারই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।রবিশংকর বলের এই উপন্যাস নিয়ে সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বলেন ভয়াবহ ভালো লেখা। একমাত্র মেটাফর পেঁজা তুলোর মত উড়ন্ত ভাসমান তবু স্বাধীন নয় নিজে উড়তে পারে না মনে হয় নিজেই উড়ছে আসলে নিজে উড়তে পারে না হাওয়ায় ওড়ায়।প্রচ্ছদও বেশ ভালো লেগেছে।